রাঁচিতে জওহরলাল নেহেরু

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু ১৯৪৯ সালে রাঁচির মানসিক হাসপাতাল অর্থাৎ পাগলা গারদ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। এরপর পাগলা গারদের ভেতরে যা ঘটেছিল, তার জন্য কেউই তৈরী ছিলেন না।

নেহেরু সেখানে গিয়ে ডাক্তারদের সাথে কথাবার্তা বলার পর মানসিক রুগীদের ওয়ার্ডগুলো দেখতে হাসপাতালের ভেতরে যান। ভেতরে যাওয়ার পর থেকেই একটা পাগল তাঁকে উত্যক্ত করছিল। শেষে আর থাকতে না পেরে নেহেরু বললেন, “এই পাগলা, তুই জানিস আমি কে? আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী।”
পাগলটা এই শুনে হেসে উত্তর দিলো, “হে হে। হয় – হয় – এরকম হয়। প্রথম প্রথম সবাই এরকমই ভাবে। কয়েকদিন এখানে থাক, তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে!”

পেন্সিল শার্পনার

-দোস্ত তোর নতুন পিএ মেয়েটা ত হেভি মাল।
– তোর ভালো লাগছে।
– কইলাম না, কঠিন চিজ। যা ফিগার… মাই গড। অফিসে এমন কড়া জিনিস পাইলি কই ?
– এই ত নতুন আসছে।
-আমার পি এ টা একটা বুড়াভাম। তুই ত শালা ভালা ফস্টি নস্টি করার সুযোগ পাইলি।
– ফস্টি নস্টির সুযোগ নাই। এইটা একটা রোবট।
– তাই নাকি?

– হ! দাড়া তোকে এনে দেখাই। ইন্টারকমে বলল, লিলি আমার রূমে আসো একটু। লিলি আসল।
-দোস্ত, এর পেট এ ছোট একটা ফ্রিজ আছে। পিঠে একটা শ্রেডার মেশিন আছে। এর বডিতে প্রিন্টার , তিন টেরা হার্ড ডিস্ক আর যাবতীয় অফিস সামগ্রী আছে।
– ভালো ত। দোস্ত, আমারে দুই দিনের জন্য ধার দে। ইউজ (!) কইরা দেখি।
-আচ্ছা নে। লিলি, তুমি আগামী দুইদিন আমার দোস্তের সাথে কাজ করবা।
দোস্ত আর রোবট লিলি বের
হয়ে গেল। পাঁচমিনিট পরই শোনা গেল দোস্তের গগনবিদীর্নকারী চিৎকার,
শীট !! প্রথম বন্ধু মাথা নাড়তে নাড়তে বলল ।
লিলির পেন্সিল শার্পনারটা কোন জায়গায় সেইটাই তো দোস্তকে বলা হয় নাই.

বলুন তো কি দাঁড়ালো

একজন স্ট্রীট ম্যাজিশিয়ান ম্যাজিক দেখাচ্ছেন কোন এক আবাসিক এলাকার এক রাস্তার উপরে। সবাই সাগ্রহে তাকে ঘিরে আছে। মূল আকর্ষণ হচ্ছে নাকি তার ম্যাজিক স্পেল আউড়ানোর সাথে সাথে কোথাও নাকি কিছু দাঁড়িয়ে যাবে আর সবাই মিলে যদি ফুঁ দেয় তবে তা বসে পড়বে।

প্রথম বারঃ হ্রিঙ্গা ত্রিঙ্গা ছট্টে… সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বাচ্চাটির পকেট থেকে পেন্সিলটি উঠে দাঁড়িয়ে গেলো। সবাই মিলে একযোগে ফুঁ… বসে পড়লো পেন্সিলটি তার জায়গায়।

দ্বিতীয় বারঃ ম্যাজিশিয়ানের মন্ত্র… মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ভদ্রমহিলার মাথা থেকে তার হেয়ার পিনটি উঠে দাঁড়ালো। সবাই আবারো ফুঁ… বসে পড়লো হেয়ার পিন।

শেষ বারঃ মন্ত্র পড়া শেষ… সবাই ফুঁ দেবার অপেক্ষায়… কিন্তু কেউ বুঝতে পারছে না কোথায় কি দাঁড়ালো…!!

আকস্মিক ভাবেই পাশের এক বাড়ীর দরজা খুলে একজন ৮৫ বছরের বৃদ্ধ বেরিয়ে এসে হাঁক ছাড়লেন, “এই পাঁজির দল, নচ্ছার গুলো, খবর্দার বলে দিচ্ছি, কেউ কিন্তু ফুঁ দিবি না হতচ্ছাড়ারা”…!!

বলুন তো কি দাঁড়ালো??

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি প্রেগন্যান্ট

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়েউঠে দাঁড়িয়ে বলছে, ‘টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতেপারবে?’
টিচার বললেন, ‘তোমার আম্মুরবয়স কত সোনা?’
পিচ্চি বললো, ‘চল্লিশ।’
টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।’
পিচ্চি এবার বললো, ‘আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’
টিচার বললেন, ‘তোমার আপুর বয়স কত সোনা?’
পিচ্চি বললো, ‘আঠারো।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।’
পিচ্চি এবার বললো, ‘আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?’
টিচার হেসে বললেন, ‘তোমার বয়স কত সোনা?’
পিচ্চি বললো, ‘আট।’
টিচার বললেন, ‘নাসোনা, তুমিপ্রেগন্যান্ ¬ট হতে পারবে না।’
এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, ‘শুনলে তো? আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই।